💖 নিজের পরিবারকে নিরাপদ রাখুন 💖আপনার সামান্য অসচেতনতা পরবর্তীতে হয়ে উঠতে পারে আজীবনের আক্ষেপ।তাই রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডার কে নিরাপদ রাখতে অবশ্যই আমাদের ব্যবহার করা উচিত গ্যাস সেফটি ডিভাইস।
ডেনমার্কের প্রযুক্তিতে তৈরি অটো-কাটঅফ রেগুলেটর। পাইপ ছিঁড়ে গেলে বা লিক হলে ১ সেকেন্ডে গ্যাস বন্ধ করে। বিল্ট-ইন গ্যাস গেজ সহ।
Premium Plus Type A100IS-M
IGT
অটো গ্যাস কাট-অফ
লিক হলে ১ সেকেন্ডে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়
বিল্ট-ইন ম্যানোমিটার
সিলিন্ডারে কতটুকু গ্যাস আছে দেখা যায়
১০০% লিক প্রুফ
ডেনমার্কের পেটেন্ট করা প্রযুক্তি
সহজ ইন্সটলেশন
কোনো টুলস ছাড়া ১০ সেকেন্ডে লাগানো যায়
কেন আপনার পরিবারের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করবেন?
- লিক হবার সাথে সাথে অটো গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিবে।
- হঠাৎ বিস্ফোরণ থেকে আপনার পরিবারকে সুরক্ষা দিবে।
- হঠাৎ আগুন হতে আপনার প্রিয়জন সুরক্ষা পাবে।
- আপনার প্রিয়জন হারানোর ভয় দূর হবে।
- আপনার সন্তান এতিম হবে না।
- আপনার মানসিক দুশ্চিন্তা দূর হবে।
- মিটার দ্বারা গ্যাসের পরিমাণ পরিমাপ করতে পারবেন।
- গ্যাস কখন শেষ হবে? মিটার দেখে বুঝতে পারবেন।
- ২০%-২৫% পর্যন্ত গ্যাস সাশ্রয়ী হবে।
- প্রিয়জনের প্রতি আপনার ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটবে।
- আপনি একজন দায়িত্ববান মানুষ, সেই ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠবে।
- এটি আপনার কাছের মানুষকে গিফট দিয়ে চমকে দিতে পারেন।
সত্যি ঘটনা
“চুলা বন্ধ ছিল। তবুও গ্যাস বের হচ্ছিল।”
মিরপুরের রেহানা বেগম বলছিলেন সেই রাতের কথা। রাত দশটায় সব বন্ধ করে ঘুমিয়ে গেছেন। পরদিন সকালে রান্নাঘরে ঢুকতেই তীব্র গ্যাসের গন্ধ।
তাঁর রেগুলেটর থেকে সারারাত গ্যাস বের হচ্ছিল। চুলা বন্ধ ছিল, কিন্তু রেগুলেটরে থামার কোনো ব্যবস্থাই ছিল না।
সমস্যার নাম: “সাইলেন্ট ফ্লো প্রবলেম”
সাধারণ রেগুলেটর মূলত একটা খোলা পথ। পাইপ ছিঁড়ে যাক, সংযোগ আলগা হোক, গ্যাস বের হতেই থাকবে। থামার কোনো ব্যবস্থা নেই। নীরবে, অদৃশ্যভাবে।
ভাষানটেকের সেই পরিবার, চুলা বন্ধ ছিল। একটা মশার কয়েল জ্বালানো হয়েছিল। ব্যস।


পণ্যের বিশেষত্ব
৩টি অস্ত্র, ১টি রেগুলেটরে
Premium Plus Type A100IS-M, বাংলাদেশে সবচেয়ে উন্নত গ্যাস রেগুলেটর

Pre-check Gas Leaks
চুলা বা পাইপে কোনো গ্যাস লিক হচ্ছে কিনা, আগেই যাচাই করে নিতে পারবেন ডিভাইসটির মাধ্যমে।
Manual On/Off Control
গ্যাস লাইনের নিয়ন্ত্রণ থাকবে আপনার হাতে – অন/অফ করতে পারবেন যখন প্রয়োজন, একদম সাধারণ রেগুলেটরের মতো।
100% Automatic Cutoff
যেকোনো লিক বুঝতে পারলেই ডিভাইসটি গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিবে, ফলে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার ভয় থাকবে না।
Gas Level Indicator
আপনার সিলিন্ডারে কতটুকু গ্যাস বাকি আছে এবং কতদিন চলবে – তা খুব সহজেই জানতে পারবেন।
No Tools Required
প্রতিটি ব্যবহারকারী নিজের হাতে খুব সহজেই এটি সেট করতে পারবেন, কোনো এক্সট্রাপার্ট লাগবে না।
Universal Compatibility
দেশে ব্যবহৃত প্রায় সব গ্যাস সিলিন্ডারের সাথেই এটি একসাথে কাজ করে। ইনস্টলেশন খুবই সহজ।
সাধারণ রেগুলেটর vs IGT SafeGuard Pro
টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন
ক্যাপাসিটি
১.৫ কেজি/ঘণ্টা
ব্যাস
৬৩ মিমি
ইনলেট
২০–২৭ মিমি, Bayonet
আউটলেট
8–11 মিমি, ১/৪" LH
ক্রেতাদের কথা
তাঁরা যা বলছেন
বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার মায়েদের বাস্তব অভিজ্ঞতা

সাবিনা আক্তার
মোহাম্মদপুর, ঢাকা
“একদিন রান্নার মাঝে পাইপ আলগা হয়ে গিয়েছিল। রেগুলেটর নিজেই গ্যাস বন্ধ করে দিয়েছিল। চুলা নিভে গেছে দেখলাম, পরে বুঝলাম কী হয়েছিল। এটা না থাকলে কী হতো ভাবতেও পারি না।”
✅ যাচাইকৃত ক্রেতা
রোকেয়া বেগম
গুলশান, ঢাকা
“আগে প্রতিদিন সিলিন্ডার ঝাঁকিয়ে দেখতাম গ্যাস আছে কিনা। এখন গেজে এক নজর দেই, জানি। সিলিন্ডার আমি নিজেই বদলাই। আমার রান্নাঘরে এখন আমার কথাই চলে।”
✅ যাচাইকৃত ক্রেতা
নাজনীন আক্তার
নারায়ণগঞ্জ
“স্বামী বললেন দরকার নেই। আমি নিজে কিনলাম। এখন সে-ই বলে ভালো করেছ। গ্যাস গেজ দেখে মনে হয় রান্নাঘরটা আসলেই আমার।”
✅ যাচাইকৃত ক্রেতা
রহিমা বেগম
মিরপুর, ঢাকা
“তিন মাস হলো, একদিনের জন্যও গ্যাসের গন্ধ পাইনি। ঈদের রান্না এবার কোনো চিন্তা ছাড়া করলাম। দাম দেখে ভয় পেয়েছিলাম, এখন মনে হচ্ছে জীবনের সেরা বিনিয়োগ।”
✅ যাচাইকৃত ক্রেতা
ISO সার্টিফাইড
CE মার্ক
BSTI অনুমোদিত
সন্তুষ্ট গ্রাহকদের কথা
যাঁরা ইতিমধ্যে ব্যবহার করছেন
💢অর্ডারের নিয়মাবলি💢
- 👉ডেলিভারিম্যান ফোন দেয়ার পর যে কোন সময়ে পার্সেল রিসিভ করার মানসিকতা থাকলে অর্ডার করার অনুরোধ।
- 👉আপনার ফোন বন্ধ থাকলে বা প্রোডাক্ট রিসিভ করার স্থানে না থাকলে অর্ডার না করার অনুরোধ।
- 👉অর্ডার করার পূর্বে কারো সাথে পরামর্শ করার থাকলে (অর্থাৎ স্বামী বা স্ত্রী বা অভিভাবক), তাদের সাথে পরামর্শ করে অর্ডার করার অনুরোধ।
- 👉অর্ডার কনফার্ম করার পর পার্সেল রিসিভ না করলে ডেলিভারি চার্জ ১৩০ টাকা এবং সার্ভিস চার্জ ৭০ টাকা, টোটাল ২০০ টাকা পেমেন্ট করতে হবে।
৩০ দিনের মানি-ব্যাক গ্যারান্টি
পণ্য পছন্দ না হলে, পুরো টাকা ফেরত। কোনো প্রশ্ন নেই।
কেন এখনই অর্ডার করবেন?
- 🚚
ফ্রি হোম ডেলিভারি
সারা বাংলাদেশে সম্পূর্ণ ফ্রি
- 💵
ক্যাশ অন ডেলিভারি
আগে টাকা দেয়ার কোনো ঝুঁকি নেই
- 🔥
লঞ্চ মূল্য
লঞ্চ অফারে পাচ্ছেন বিশেষ মূল্যে
আপনার পরিবার অপেক্ষা করছে।
আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।
আপনি কখন নেবেন?
এখনই অর্ডার করুন
IGT SafeGuard Pro
⚡ ক্যাশ অন ডেলিভারি, পণ্য হাতে পেয়ে টাকা দিন
আপনার পরিবার অপেক্ষা করছে।
আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আপনি কখন নেবেন?
ঢাকার এই মা কখনো ভাবেননি তাঁর রান্নাঘরে এমন কিছু ঘটতে পারে, যতক্ষণ না পাশের বাসায় সেই ঘটনাটা ঘটল
(এই লেখাটি পড়ুন। আপনার রান্নাঘরে এখন যা আছে, তা জেনে আপনি হয়তো চমকে উঠবেন।)
ভোর সাড়ে তিনটা।
পুরো বাড়ি ঘুমিয়ে। বাচ্চারা ঘুমাচ্ছে। স্বামী ঘুমাচ্ছে। শুধু আমি একা রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে, সেহরির রান্না করছি।
চুলা জ্বালাতে গিয়ে হঠাৎ মনে হলো, একটা হালকা গন্ধ। গ্যাসের গন্ধ।
বুকটা ধক করে উঠল।
লিক হচ্ছে? নাকি এমনিই? নাকি আমার মাথা ঠিক নেই ঘুমের ঘোরে?
আমি চুলা বন্ধ করলাম। জানালা খুললাম। তারপর দাঁড়িয়ে রইলাম, অনেকক্ষণ। স্বামীকে ডাকব? এত রাতে? বাচ্চাদের নিয়ে বাইরে যাব?
শেষে কিছুই করলাম না। কারণ কী করব বুঝতে পারছিলাম না। রান্না আধাসেদ্ধ রেখে বসে রইলাম।
সেদিন কিছু হয়নি। কিন্তু সেই ভয়টা, সেটা আর যায়নি।

সেই ঘটনার তিন সপ্তাহ পর, পাশের বিল্ডিং থেকে একটা শব্দ শুনলাম।
সবাই নিচে দৌড়ে গেল। আমিও গেলাম।
তৃতীয় তলার ভাবির রান্নাঘরে আগুন লেগেছে। তিনি বেলা এগারোটায় বাজার করতে গিয়েছিলেন, মাত্র ঘণ্টাখানেকের জন্য। বাসায় কেউ ছিল না। ফিরে এসে দেখেন দরজার নিচ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিস এসেছিল। রান্নাঘর পুড়ে গেছে। ভাবি বেঁচে গেছেন, শুধু এই কারণে যে তিনি বাড়িতে ছিলেন না।
পরদিন ভাবির সাথে কথা হলো।
"কীভাবে হলো?" জিজ্ঞেস করলাম।
তিনি বললেন, "গ্যাস লিক হচ্ছিল। সেই গ্যাস জমে ছিল। ফ্রিজের মোটর চালু হতেই, ব্যস।"
"সিলিন্ডার ফেটেছিল?"
"না," তিনি বললেন। "তদন্তে বলেছে রেগুলেটর থেকে লিক হয়েছিল। সিলিন্ডার একদম ঠিকঠাক ছিল।"
রেগুলেটর।
সেই ছোট্ট কালো জিনিসটা। যেটা সিলিন্ডারের মাথায় লাগানো থাকে। যেটার দিকে আমরা কেউ কখনো তাকাই না।
সেদিন বাসায় ফিরে আমি নিজের রান্নাঘরে গেলাম।
সিলিন্ডারের দিকে তাকালাম। তারপর রেগুলেটরের দিকে।
আমার রেগুলেটরটা কতদিন ধরে আছে? মনে নেই। বছর দুয়েক হবে। হয়তো বেশি। পাড়ার দোকান থেকে কিনেছিলাম, দোকানদার বলেছিল "ভালো জিনিস।"
সেদিন প্রথমবার একটু ভালো করে দেখলাম। এটা শুধু একটা রাবার আর প্লাস্টিকের টুকরো। কোনো গেজ নেই, গ্যাস কতটুকু আছে জানার কোনো উপায় নেই। কোনো অটো-শাটঅফ নেই, পাইপ ছিঁড়ে গেলে গ্যাস বন্ধ হওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। শুধু খোলা পথ, গ্যাস বের হওয়ার একটা খোলা পথ।

আমি এতদিন ভেবেছিলাম বিপদ মানে সিলিন্ডার ফেটে যাওয়া। কিন্তু সেটা সত্যি না।
বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স (FSCD)-এর তথ্য অনুযায়ী, শুধু ২০২৪ সালেই ৭০৪টি গ্যাস সিলিন্ডার-সংক্রান্ত দুর্ঘটনা রেকর্ড হয়েছে। মানে প্রতি সপ্তাহে গড়ে ১৩টি ঘটনা।
আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই দুর্ঘটনাগুলোর ১০টির মধ্যে ৭টিতেই সিলিন্ডার দোষী না। দোষী হচ্ছে রেগুলেটর আর পাইপ।
ঢাকার ভাষানটেকে যে পরিবারের ছয়জন সদস্য পুড়ে গিয়েছিলেন, তাঁদের সিলিন্ডার ফাটেনি। রাতে রেগুলেটর থেকে গ্যাস লিক হয়েছিল, জমেছিল, আর একটা মশার কয়েল জ্বালাতেই বিস্ফোরণ হয়েছিল।
নারায়ণগঞ্জে যে পরিবারের বাসায় আগুন লেগেছিল, তাঁরাও সব বন্ধ করে বাইরে গিয়েছিলেন। চুলা বন্ধ ছিল। কিন্তু রেগুলেটর থেকে গ্যাস বের হতেই থাকে। বন্ধ হওয়ার কোনো উপায় নেই, কারণ ওই রেগুলেটরে অটো-শাটঅফ ছিল না।
সাবধান থাকলেই কি যথেষ্ট?
সেদিন রাতে আমি স্বামীকে বললাম। সে বলল, "চিন্তা করিস না। আমরা তো সাবধানেই থাকি। চুলা বন্ধ করে রাখি সবসময়।"
কিন্তু আমার মনে পড়ল ভাবির কথা। তিনিও সাবধান ছিলেন। বাইরে যাওয়ার আগে সব বন্ধ করে গিয়েছিলেন। চুলা বন্ধ ছিল। সিলিন্ডারের ভাল্ব বন্ধ ছিল।
তবুও রেগুলেটর থেকে গ্যাস বের হয়েছিল। কারণ সেই রেগুলেটরে থামার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। সাবধান থাকাটা দরকার। কিন্তু সাবধান থাকা মানেই নিরাপদ থাকা না, যদি রেগুলেটরে কোনো সুরক্ষা না থাকে।
সেই রাতের পর আমি খুঁজতে শুরু করলাম। তখন আমার মতো একজন মা, আমাকে "অটো-কাটঅফ রেগুলেটর" এর কথা বললেন।
রেগুলেটরের ভেতরে একটা বিশেষ ভাল্ব থাকে, যেটা গ্যাসের প্রবাহ মনিটর করে সবসময়। স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি গ্যাস বের হতে শুরু করলেই, যেমনটা হয় পাইপ ফেটে গেলে, সেই ভাল্ব এক সেকেন্ডের মধ্যে ৯০% গ্যাস বন্ধ করে দেয়। নিজে থেকে।
তিনি আমাকে IGT SafeGuard Pro-র কথা বললেন।
এতে আছে সেই অটো-কাটঅফ ভাল্ব, পাইপ ছিঁড়লে গ্যাস বন্ধ হয়ে যাবে, আমি বাসায় থাকি বা না থাকি। এতে আছে একটা গেজ, সিলিন্ডারে কতটুকু গ্যাস বাকি আছে সেটা দেখা যায়। আর লাগানো যায় মাত্র দশ সেকেন্ডে।
সার্টিফিকেশন আছে। ওয়ারেন্টি আছে। এবং, মানি-ব্যাক গ্যারান্টি। এটা সেই দোকানদারের "ভালো জিনিস" না।

আমি এখন IGT SafeGuard ব্যবহার করছি দুই মাস হলো।
ভোর তিনটায় এখন রান্নাঘরে ঢুকি। গেজের দিকে এক নজর তাকাই, গ্যাস আছে কিনা জানি। চুলা জ্বালাই। রান্না করি। ভয় নেই।
আপনার রান্নাঘরে কোন রেগুলেটর আছে?
একটু দেখুন। সেটায় কি কোনো গেজ আছে? কোনো অটো-শাটঅফ আছে?
যদি না থাকে, তাহলে আজ রাতে আপনার পরিবার যখন ঘুমাবে, সেই রেগুলেটর কিন্তু কাজ করতেই থাকবে। কোনো সুরক্ষা ছাড়া। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম সেদিন রাতে। আপনি কখন নেবেন?

IGT SafeGuard Pro
৳ ১,১৫০, ফ্রি ডেলিভারি





